Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
লোহানীপাড়া ইউনিয়েনর ইতিহাস
বিস্তারিত

লোহানীপাড়া : বর্তমান লোহানীপাড়া উইনয়নের অতীত নাম ছিল নোহালী পাড়া। ওই নোহানী নামটি কিভাবে কেমন করে হয়েছে, সে ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে বর্তমান লোহানীপাড়া নামের আড়ালে জনশ্রূতি রয়েছে। বাংলাদেশে অধুনা লুপ্ত চীন পন্থী বাম রাজনীতির সংগ্রামী পথিকৃত পরবর্তীতে ভারতের চার মজুমদারের নশোল আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বাহান্নের ভাষা সৈনিক ইউনুছ লোহানী ও ইদ্রিস লোহানীর পূর্ব পুরুষেরা আফগানিস্থান থেকে ভারত বর্ষে ধর্ম প্রচারের জন্য আসেন। এরা ছিলেন পাঠান বংশভূত । ধর্ম প্রচারের কাজ করতে এসে তারা মোঘল সম্রাটের অধিনে চাকুরী গ্রহন করেন। ষোড়শ শতকের কোন এক সময়ে ওই পাঠানের মোঘল সম্রাটের বিরাগ ভাজন হয়ে পড়েন। এ কারণে পাঠানেরা দিললী  ত্যাগ করে পূর্ব বঙ্গে (বাংলাদেশ) আগমন করে খেলপট্টি (বতর্মন খোলাহাটি ) অঞ্চলে বসবাস শুরু করেন। সময়ে তারা আবারো মোঘল সম্রাটের বিরুদ্ধে অয়োময়  লৌহ কঠর) অবস্থান গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে  আবারো তারা মোঘলদের কাছে পর্যুদপ্ত হয়ে পড়েন। ফলে তাদের বংশধরেরা দু ভাগে বিভক্ত হয়ে এক অংশ চলে যায় পাবনা অঞ্চলে আর এক অংশ বর্ধন কোটের (বর্তমান লোহানীপাড়া ইউনিয়নের চাপরের কোট নামক স্থানে) মহারাজা অংশুবর্ধনের অধিনে (মধ্যযুগে) চাকুরী  গ্রহণ করেন।

বিভিন্ন সময়ে মোঘলদের সঙ্গে পরাজয়ের কারণে নিজেদের বংশ পরিচয় গোপনের জন্য তারা পাঠান খান উপাধি পরিবর্তন করেন। সময়ের ব্যবধানে (বৃটিশ আমলে) লোহানীপাড়া আদিবাসীদের কাছ থেকে মন্ডল হিসেবে পরিচিতিও লাভ করেন তারা।

 

ষাটের দশকে ওই মন্ডলেরা পূর্ব পুরূষদের মোঘল এবং পরে বৃটিশদের বিরূদ্ধে লৌহ কঠোর অবস্থানের কারণে লোহানী পদবী গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে বেসিক ডেমক্রেসি পরিবর্তনের পর তাদের বংশ পরিচয়ের সূত্র অনুযায়ী ইউনিয়নের আদি নাম নোহানীপাড়া পরিবর্তন করে লোহানীপাড়া রাখা হয়। এসবই জনশ্রুতি । কিন্তু নিখাদ সত্যের আড়ালে কুঁড়িয়ে পাওয়া নয়। ইতিহাস সমৃদ্ধ নামের পেছনে রয়েছে কতনা কিংবদতি ।

 

১৯৩২-৩৫ সালের রংপুর জেলার জুরি ডিকশন লিষ্ট অনুযায়ী বদরগঞ্জ পুলিশ স্টেশন অনতর্ভূক্ত লোহানীপাড়া মৌজার জমির পরিমান ৯৪০০.৮২ একর।

ছবি
ডাউনলোড